কূটনৈতিক ভালোবাসায় সিলেট দিয়ে আম গেল ভারতে
সিকডে,সিলেট
প্রকাশিত হয়েছে : ০৭ জুলাই ২০২১, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
কয়েকদিন আগেই রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় আম পাঠিয়েছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি প্রমুখের কাছে। রাজনৈতিক সম্পর্কে যতই দূরত্ব থাকুক, কাদাছোঁড়াছুড়ি যতই থাকুক রাজনীতির উঠোনে, আমের সম্পর্কে সৌজন্যতা দেখিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে এবার দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশ থেকেও এল আম। সেটাও সেই সৌজন্যতা প্রদর্শন আর সম্পর্কের বাঁধনকে আরও নিবিড় করার লক্ষ্যেই।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য়মন্ত্রীর জন্য় প্রায় ২ হাজার ৬০০ কেজি আম পাঠালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বনগাঁ- পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে রবিবার দুপুরে দুই দেশের কর্তাদের উপস্থিতিতে ২৬০ বাক্স আম ভারতের হাতে তুলে দেন বাংলাদেশের আধিকারিকরা।
কার্যত আম সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ হল প্রতিবেশী দুই বন্ধু দেশ। হয়তো এই আমের কথায় অনেকেরই মনে পড়ে যাবে ছেড়ে আসে ওই দেশের মাটির কথাও।
বাংলাদেশের তরফে ডেপুটি কমিশনার জানিয়েছেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বরাবর বন্ধুত্বের সম্পর্ক। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীর তরফে ২৬০ কার্টুন হাড়িভাঙা আম পাঠানো হয়েছে। আমাদের সম্পর্ক বজায় থাকবে।
উন্নয়ন ও সম্পর্কের স্মারক হিসাবে আম পাঠানো হয়েছে।’ পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং অ্য়ান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্য়ায়োসিয়েশনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, ‘বাংলাদেশের উৎকৃষ্ট হাড়িভাঙা আম ২৬০০ কেজি বাংলাদেশ থেকে এসেছে।
এই আম পাঠানোর মাধ্যমে দুদেশের সম্পর্ক আরও অটুট হল। আমাদের দুদেশের মধ্যে ব্যবসায়িক আদানপ্রদানও আরও মজবুত হবে।’
এদিকে আজ সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে আসাম, মেঘালয় ও মিজোরামের তিন মুখ্যমন্ত্রীকে আম পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (৭ জুলাই) বেলা ১টার দিকে এসব আম পাঠানো হয়।
তামাবিলে আমের কার্টনগুলো গ্রহণ করেন আসামের গৌহাটিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহকারী হাইকমিশনার তানভির মনুসর। তিনি ওই তিনটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে উপহারের আম পৌঁছে দেবেন বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে আসাম, মেঘালয় ও মিজোরামের তিন মুখ্যমন্ত্রীর জন্য ১২০ কার্টন আম পাঠিয়েছেন। প্রতিটি কার্টনে ১০ কেজি করে আম আছে। সবমিলিয়ে ১২০০ কেজি আম পাঠানো হয়েছে।
উপহারের আম ভারতে পাঠানোর সময় তামাবিল স্থলবন্দরে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, কাস্টমস কর্মকর্তা, বিজিবি, পুলিশ ও ভারতের বিএসএফের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।





