সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে হাসপাতালে আরও ১২১ জন
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত হয়েছে : 02 September 2026, 6:53 PM
সিলেটে হাম পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১২১ জন। বুধবারের (২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে জানা যায়, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে ভর্তি রয়েছেন ৪১৫ জন রোগী।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে ভর্তি হওয়া সন্দেহভাজন রোগীদের মধ্যে ৬২ জন সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ৪১ জন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ৩ জন রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, ১৪ জন মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে এবং ১ জন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বর্তমানে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি রয়েছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৭৩ জন। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৩০ জন। এছাড়া রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৪ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৪ জন, পার্কভিউ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩২ জন এবং গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সিলেটের বাইরে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৭ জন, বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২১ জন হাম সন্দেহে ভর্তি রয়েছেন। সব মিলিয়ে বিভাগের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ৪১৫ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাব বলছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩৬৩ জন, হবিগঞ্জে ১৫৩ জন, মৌলভীবাজারে ১৫৮ জন এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। হবিগঞ্জের আক্রান্তদের মধ্যে রুবেলার দুই রোগীও রয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে অবশ্য গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত হাম রোগে মোট ১৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৪৪ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে সিলেটে সন্দেহজনক হাম রোগে ৫৭ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ৪ জনসহ মোট ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। হবিগঞ্জে মোট ২১ জন, মৌলভীবাজারে ১৩ জন এবং সুনামগঞ্জে ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে ২ সেপ্টেম্বর নতুন করে কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি বলে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এম এইচ আ



