ধর্মপাশায় বিনা অনুমতিতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ মে ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার শরিশ্যাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক দুই দিন বিনা অনুমতিতে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সহকারী শিক্ষক মুক্তা খানম গত ১৭ ও ১৮ মে কোনো ধরনের পূর্বানুমতি বা ছুটি গ্রহণ ছাড়াই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চৌধুরী তৌহিদুন নবী স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ধারা অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হয়। এ কারণে বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনের সঙ্গে হাজিরা খাতার অনুলিপিও সংযুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিবেদনটির অনুলিপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সুনামগঞ্জ এবং অফিস নথিতে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মুক্তা খানম বলেন, “আমি প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটির কথা বলেছিলাম, কিন্তু তিনি ছুটি দেননি। আমার ছুটির প্রয়োজন ছিল। পরে আমি উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করি।”
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক চৌধুরী তৌহিদুন নবী বলেন, “মুক্তা খানম কোনো ছুটি না নিয়েই বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করেন না। এর আগেও বিভিন্ন বিষয়ে মিথ্যাচার করেছেন।”
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দ্বীন ইসলাম বলেন, “মুক্তা খানমের কোনো ছুটির আবেদন পাইনি। প্রধান শিক্ষকের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”




