প্রবাসে স্বামী, স্ত্রীকে ঘিরে সন্তান প্রসবের দাবি; অভিযোগ অস্বীকার
সিকডে
প্রকাশিত হয়েছে : 15 July 2026, 2:18 PM
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে প্রবাসে থাকা এক ব্যক্তির স্ত্রী সন্তান প্রসব করেছেন—এমন দাবিকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নারী ও তাঁর পরিবার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনাটির বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি সংস্থার যাচাইকৃত তথ্য বা লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কাশিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন প্রায় তিন বছর ধরে বিদেশে রয়েছেন। এ সময়ে তাঁর স্ত্রী খাদিজা (৩০) দুই সন্তান ও শ্বশুরকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, গত ৯ জুলাই রাতে খাদিজার প্রসববেদনা ওঠে। এ সময় তাঁর জা আক্তার বানু এবং প্রতিবেশী রুজি আক্তার ও ফাইজুন্নাহার সেখানে যান। তাঁদের ভাষ্য, ওই রাতে খাদিজা একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। পরে রাতেই নবজাতককে নিয়ে তিনি বাবার বাড়ি লাখাই উপজেলার নকলাউক গ্রামে চলে যান।
আক্তার বানু দাবি করেন, ঘরে ঢুকে তিনি নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনেছেন এবং একটি ছেলে সন্তান দেখেছেন। একই ধরনের দাবি করেছেন প্রতিবেশী রুজি আক্তার ও ফাইজুন্নাহার। ফাইজুন্নাহার বলেন, তিনি নবজাতককে কোলে নিয়েছিলেন।
তবে খাদিজা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি কোনো সন্তানের জন্ম দেননি। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিনের শারীরিক সমস্যার কারণে একটি রক্তের পিণ্ড বের হয়েছে। তাঁর বাবা ফজলুর রহমানও মেয়ের সন্তান প্রসবের অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।
খাদিজার শ্বশুর আব্দুর রশিদ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত। তবে এটি পারিবারিক বিষয় উল্লেখ করে এ নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে চাননি।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল আমিন বলেন, বিষয়টি তাঁর কানে এসেছে। তবে এখনো তিনি সরেজমিনে যাচাই করেননি। তাই এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
এদিকে স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সন্তান প্রসবের পর নবজাতকের অবস্থান সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন। তবে এ দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি বা স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এম এইচ আ



