শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খোশগল্পে মেতে উঠলেন জাইমা রহমান
ডেস্ক রিপোর্ট :
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ জুন ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খোশগল্পে মেতেছেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান। পড়াশোনা, স্বপ্ন, খেলাধুলা থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতা— সবকিছু নিয়েই শিশুদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কসবা ও আখাউড়ার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা সময় কাটান জাইমা রহমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের মেয়ে মেহভীন রহমান মুনিয়ার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
আয়োজনে উপস্থিত একাধিক সূত্র জানায়, শুরু থেকেই বেশ প্রাণবন্ত ও আন্তরিক ছিলেন জাইমা রহমান। তিনি একে একে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও স্বপ্নের কথা জানতে চান। পাশাপাশি পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আড্ডার একপর্যায়ে শিশুদের কাছে জানতে চান তারা রান্না করতে পারে কি না। কয়েকজন শিক্ষার্থী রান্না করতে পারার কথা জানালে তাদের এলাকায় গেলে কী খাওয়াবে সেটিও জানতে চান তিনি। জবাবে শিশুরা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়ানোর কথা বললে জাইমা রহমান বিরিয়ানির সঙ্গে ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছার কথাও জানান।
রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিন বলেন, ‘আমার খুব ভালো লেগেছে। প্রধানমন্ত্রী কন্যা এত কাছে এসে আমাদের সঙ্গে গল্প করবেন, এটা ভাবতেই পারিনি। তিনি আমাদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা করার পরামর্শ দিয়েছেন।’
সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী বলেন, ‘শিশুরা খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছে। জাইমা রহমান প্রতিটি শিশুর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন। নিজের জীবনের অভিজ্ঞতাও তাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেছেন।’
আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভুঁইয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কন্যার সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীরা ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছে। তিনি শিশুদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে উৎসাহ দিয়েছেন।’
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, ‘আমরা ধারণা করিনি তিনি এত দীর্ঘ সময় শিশুদের সঙ্গে কাটাবেন। প্রতিটি শিশুর সঙ্গে আলাদা করে কথা বলার বিষয়টি তাদের মধ্যে দারুণ উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেছে।’
- নীরব চাকলাদার



