কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার-৯
কানাইঘাট প্রতিনিধি :
প্রকাশিত হয়েছে : ০৪ জুন ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ
কানাইঘাট থানা পুলিশের পৃথক পৃথক অভিযানে ভারতীয় চিনি ও চোরাই পানির মোটর উদ্ধারসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত মোট ৯ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।গতকাল ৩ জুন (বুধবার) বিকেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে থানার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলারক্ষায় কানাইঘাট থানা পুলিশ বিশেষ তৎপরতা চালাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ৩ জুন বিকেল ৩:২০ ঘটিকায় এসআই (নিঃ) মো. শাহআলম সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ কানাইঘাট পৌরসভার নন্দীরাই বাইপাস পয়েন্টে চেকপোস্ট ডিউটি পরিচালনা করছিলেন। এ সময় একটি সন্দেহভাজন ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা তল্লাশি করে ৪টি বস্তায় মোট ২০০ কেজি অবৈধ ভারতীয় চিনি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে আনুছ আহমদ (২১) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। আটককৃত আনুছ আহমদ উপজেলার ২নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের বাউর বাগ ২য় খন্ড (বাগরা) গ্রামের আজিরউদ্দিনের ছেলে।
অপর এক অভিযানে, কানাইঘাট থানাধীন ৩নং দিঘীরপাড় পূর্ব ইউনিয়নের পূর্ব সর্দারমাটি ঈদগাহ নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে দুটি পানি সেচের মেশিন (মোটর) চুরির অভিযোগে ৩ জন চোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো— দর্পনগর পশ্চিম গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে হারিছ উদ্দিন (৪৫), মাছুগ্রামের আজিজুর রহমানের ছেলে ফায়রুফ আহমদ জীবান (৩৫) এবং ভবানী পুর গ্রামের মৃত ময়না মিয়ার ছেলে সাকিব আহমদ (২৭)। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া একটি পানির মোটর উদ্ধার করা হয়। চিনি চোরাচালান ও মোটর চুরির এই দুটি ঘটনায় কানাইঘাট থানায় পৃথক দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
এদিকে থানার অপর এক পৃথক অভিযানে এসআই দুর্গা কুমার দাশ সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ৫ জন পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। গ্রেফতারকৃতরা হলো— জিআর-১১/২৩ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি বদিকোনা গ্রামের মৃত শফিকুল হকের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩৭), জিআর-৭৬/২৪ মামলার আসামি বায়মপুর গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে ডালিম আহমদ, তোতা মিয়ার স্ত্রী মায়া বেগম (৪০) ও মেয়ে লাকী বেগম (১৮) এবং জিআর-১৪৯/২৫ মামলার আসামি সরুফৌদ গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩৩)।
কানাইঘাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) যথাযথ পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




