জামালগঞ্জ হাওরের ক্লোজার বিলম্বে প্রশাসনের তদন্ত দাবি
সিলেটের কন্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ৩০ মার্চ ২০২৬, ১:০৯ অপরাহ্ণ
জামালগঞ্জ উপজেলার হাওরের গুরুত্বপূর্ণ ১০টি ক্লোজারে এখনো জিও টেক্সটাইল ও জিও ব্যাগ পোঁতানো হয়নি। নির্দিষ্ট সময়সীমা (২৮ ফেব্রুয়ারি) পেরিয়ে এক মাস অতিবাহিত হলেও এই সরঞ্জামাদি সরবরাহ না হওয়ায় চলতি মৌসুমে বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢলে হাওরের বাঁধগুলো চাপের মুখে রয়েছে। এতে কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
চলতি বছরে জামালগঞ্জ উপজেলায় হাওরের বাঁধ নির্মাণে ৪১টি পিআইসির জন্য ৭ কোটি ৬৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে পাগনার হাওরের বগলাখালী ক্লোজারে ৪৬ লাখ ৪৩ হাজার টাকায় নির্মাণ কাজ সাপ্লাই হলেও জিও টেক্সটাইল ও জিও ব্যাগ এখনো লাগানো হয়নি। একই পরিস্থিতি উপজেলার হালি, শনি, মোহালিয়া ও পাগনার হাওরের অন্যান্য ক্লোজারেও দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জনি জিও টেক্সটাইল ও জিও ব্যাগ সরবরাহের দায়িত্বে থাকলেও পিআইসিদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে কোম্পানির সঙ্গে আঁতাত করছেন। এতে প্রতিবছর অবৈধ মুনাফা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ক্লোজারের বিল ও ফাইনাল বিল বিতরণের আগে নগদ লেনদেন এবং অতিরিক্ত বরাদ্দের অভিযোগও প্রকাশ পেয়েছে।
পিআইসির এক সভাপতি বলেন, “জিও টেক্সটাইল ও জিও ব্যাগ এসও সাবের মাধ্যমে আনছি। নাহলে অজুহাত দেখিয়ে মাল রিজেক্ট করা হয়।”
উপসহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম জনি জানান, “লোকাল বাজারে ভালো মানের জিও টেক্সটাইল ও জিও ব্যাগ পাওয়া যায় না। কোম্পানির মাধ্যমে সরবরাহ নিশ্চিত করছি। আমি কোনো গাড়িভাড়া বা নগদ লেনদেন নিইনি।”
অন্যদিকে, হাওরের ফসল রক্ষার জন্য সচেতন কৃষক ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ক্লোজার ও বাঁধ সুরক্ষিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
এম এইচ আ





