তেলের দাম বাড়লে আমরা প্রচুর অর্থ উপার্জন করি : ট্রাম্প
সিলেটের কন্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৩ মার্চ ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য অর্থ উপার্জন করতে পারবে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার এই মন্তব্য করেছেন। তবে তার এই মন্তব্যের পরে কিছু আইনপ্রণেতা তার সমালোচনা করেছেন এবং বলছেন, তিনি শুধু ধনীদের স্বার্থ নিয়ে চিন্তিত।
ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত বিশ্বের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ, তাই যখন তেলের দাম বেড়ে যায়, তখন আমরা প্রচুর অর্থ উপার্জন করি। কিন্তু ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন সিনেটর মার্ক কেলি একজন অ্যারিজোনা বলেন, ‘ট্রাম্প যে যুদ্ধ শুরু করেছেন তাতে কর্মজীবী আমেরিকানরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘গ্যাসের আকাশছোঁয়া দামের ফলে কেবল বড় তেল কম্পানিগুলোই উপকৃত হচ্ছে।
২০২৮ সালের সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কেলি, এক্স-এ আরো লিখেছেন, ‘কিন্তু ট্রাম্প কেন এতে খুশি? কারণ তিনি কেবল ধনী ব্যক্তিদেরই কথাই চিন্তা করেন।’ ডেমোক্র্যাটিক দলের অন্তত দুইজন আইনপ্রণেতা উইসকনসিনের মার্ক পোকান এবং ভার্জিনিয়ার ডন বেয়ার একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই ট্রাম্পের মন্তব্যের সমালোচনাকে ‘বোকামি’ বলেছেন। দেশাই বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান-যুদ্ধের কারণে তেলের ও গ্যাসের দাম সাময়িকভাবে বেড়ে গেলেও যুদ্ধ শেষ হলে তা আবার কমে যাবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের মূল বক্তব্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্র এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ও গ্যাস উৎপাদক এবং তেল রপ্তানিকারক, যা এই প্রশাসনের শক্তিশালী এনার্জি নীতি পরিকল্পনার ফল।’
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং প্রতি ব্যারেল দাম ১০০ ডালার উঠেছে।
একই সময় ইরাকের একটি বন্দরে দুইটি তেল ট্যাংকারে আগুন ধরে ভস্মীভূত হয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে, এগুলোতে ইরান হামলা করেছে। এ ছাড়া আরো অনেক তেলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়েছে।
সূত্র : রয়টার্স




