ড.ইউনূসসহ ৪ আসামির স্থায়ী জামিন
সিকডে
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ জানুয়ারি ২০২৪, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ৪ আসামির জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। একই সঙ্গে এই রায় চ্যালেঞ্জ করে ৪ জনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল।
রবিবার ঢাকার শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) এমএ আউয়াল (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) এই আদেশ প্রদান করেন।
ড.মুহাম্মদ ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান,আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। আপিল শুনানির জন্য আগামী ৩ মার্চ তারিখ ধার্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে আপিল শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৪ জনকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল।
জানা যায়, ড.ইউনূসসহ ৪জন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আসেন। তারা এ মামলায় ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের দেয়া সাজার রায় চ্যালেঞ্জ করে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করেন। একই সঙ্গে তারা জামিন চেয়েও আবেদন করেছেন।
শ্রম আইনের ৩০৩ (ঙ) ধারায় তাদের সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অপরদিকে ৩০৭ ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এরপর আসামিপক্ষ আপিলের শর্তে জামিন আবেদন করেন। আদালত সে আবেদন মঞ্জুর করে ৫ হাজার টাকা বন্ডে ১ মাসের জন্য জামিন দেয়।
এর আগে গত বছরের ২২ আগস্ট এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ৮ নভেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দেয় তারা। এরপর থেকে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। ২৪ ডিসেম্বর এ মামলায় উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপ
ন শেষে ১ জানুয়ারি রায়ের দিন ধার্য করেন শ্রম আদালত। মামলার অন্য তিনজন বিবাদী হলেন-গ্রামীণ টেলিকমের এমডি মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহান।
২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা,গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪-এর ৭, ৮, ১১৭ শ্রম বিধিমালা ১০৭ বিধি ও ২৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
জাতীয়/হান্নান





