দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
সিকডে
প্রকাশিত হয়েছে : ১১ নভেম্বর ২০২৩, ২:২৭ অপরাহ্ণচট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে পর্যটন নগরী কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১১ নভেম্বর) নতুন নির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন, কক্সবাজারে দেশের প্রথম আইকনিক রেলস্টেশন উদ্বোধন করেন তিনি।
২০১০ সালে ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকার প্রকল্পটি প্রথম অনুমোদন হয়। ট্রান্স এশীয় রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত হতে ব্রডগেজ রেলপথ করতে প্রকল্প সংশোধন করা হয় ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল। জমি অধিগ্রহণসহ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ১৬ হাজার ১৮২ কোটি টাকা।
চট্টগ্রামে দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০.৮৩১ কিলোমিটার এবং রামু হতে মিয়ানমারের কাছে গুমধুম সীমান্ত পর্যন্ত আরও ২৮.৭৫২ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করা হয়। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ব্যয় দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিআরইসি) ও দেশীয় তমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এবং চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) ও দেশীয় ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড পৃথক দুই লটের কার্যাদেশ পায়।
এ রেলপথ সিঙ্গেল লাইন ডুয়ালগেজ। মিটারগেজ ও ব্রডগেজ দুই ধরনের ট্রেন চলতে পারবে। দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের আওতায় ৩৯টি বড় আকারের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। দোহাজারী থেকে চকরিয়া এবং চকরিয়া থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথে ৩৯টি ব্রিজ ও আন্ডারপাসসহ ২৫১টি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণির ১৪৪টি লেভেলক্রসিং নির্মাণ করা হয়েছে। হাতিসজ বন্য প্রাণি চলাচলের জন্য আলাদা আন্ডারপাস করা হয়েছে।
কক্সবাজারে তৈরি হয়েছে ঝিনুকের আদলে ছয়তলা আইকনিক দৃষ্টিনন্দন রেলস্টেশন। এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ২১৫ কোটি টাকা। দোহাজারী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, হারবাং, চকরিয়া, ডুলাহাজরা, ইসলামাবাদ এবং রামু রেলস্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে। এসব স্টেশনে রয়েছে কম্পিউটার বেইজড ইন্টারলক সিগন্যাল সিস্টেম এবং ডিজিটাল টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম।
সারাদেশসংবাদ/হান্নান






