ছাপ্পান্নর রেকর্ড অনুযায়ী নগরীর ছড়া-খাল উ*দ্ধার করা হবে’ – সিসিক প্রশাসক
সিকডে
প্রকাশিত হয়েছে : 11 August 2026, 7:56 PM
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ‘কিছু মানুষের কারণে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। ছড়া বা খাল দখল করে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সিলেট নগরীর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন ছড়া ও খাল পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সকালে সিসিক প্রশাসক ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভরা ছড়া এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় ছড়ার বিভিন্ন অংশ দখল করে স্থাপনা নির্মাণের চিত্র দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দখল করা স্থাপনা সংশ্লিষ্টদের নিজ উদ্যোগে অপসারণের আহ্বান জানান।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি কর্পোরেশন দিনরাত কাজ করছে। এ কাজে জনগণের বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। অথচ কিছু ব্যক্তি ছড়া-খাল দখল করে পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি বলেন, ‘অবিলম্বে সার্ভে করে ছাপ্পান্নর রেকর্ড অনুযায়ী নগরীর ছড়া ও খাল উদ্ধারে কার্যক্রম শুরু করা হবে। পর্যায়ক্রমে নগরীর সব ওয়ার্ডে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, ‘আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করে একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে চাই। এ কাজে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। কেউ উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে তা সহ্য করা হবে না। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পরিদর্শনকালে সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মো. দেলোয়ার হোসেন নাদিম, সহকারী প্রকৌশলী ইসমাইলুর রহমান, সেলিম আহমদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে টিলা কাটা বন্ধের আহ্বান
এর আগে সিসিক প্রশাসক নগরীর ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। ওয়ার্ডের কয়েকটি স্থানে অবৈধভাবে টিলা কেটে প্লট তৈরির অভিযোগ পেয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এ সময় তিনি অবৈধভাবে টিলা কাটা বন্ধের আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে এলাকাবাসীকে সোচ্চার হওয়ার অনুরোধ করেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘টিলা কাটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অবৈধভাবে টিলা কাটার কারণে পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে টিলা কাটার মাটি ড্রেনে পড়ে পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।’
তিনি বলেন, পরিবেশ ও নগরীর স্বার্থে টিলা কাটা বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে এখনই সবাইকে সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে।
এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা, ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সালেক আহমদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এম এইচ আ



