গভীর রাতে তরুনকে বাসার সামনে নামিয়ে দিলো কারা?
সিলেটের কন্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ১১ ডিসেম্বর ২০১৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ণশুক্রবার গভীর রাতে বনানীর বি ব্লকের ২১ নং
সড়কের ৬ নম্বর বাড়ির সামনে একটি মাইক্রোবাস থামে। মাইক্রোবাসের দরজা খুলে এক তরুণকে নামিয়ে দেয়া হয়। এ সময় তার চোখের বাঁধন খুলে দেয়া হয়। তাকে নামিয়ে দিয়েই মাইক্রোবাসটি দ্রুতগতিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ঐ তরুন নিজেকে তার বাড়ির সামনে আবিষ্কার করে। বাড়ির দরজায় কয়েকবার ধাক্কা দিতেই সেটি খুলে বাইরে বেরিয়ে আসেন ঐ তরুনের বাবা। প্রাণপ্রিয় ছেলেকে দেখেই তাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন তিনি।
সড়কের ৬ নম্বর বাড়ির সামনে একটি মাইক্রোবাস থামে। মাইক্রোবাসের দরজা খুলে এক তরুণকে নামিয়ে দেয়া হয়। এ সময় তার চোখের বাঁধন খুলে দেয়া হয়। তাকে নামিয়ে দিয়েই মাইক্রোবাসটি দ্রুতগতিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ঐ তরুন নিজেকে তার বাড়ির সামনে আবিষ্কার করে। বাড়ির দরজায় কয়েকবার ধাক্কা দিতেই সেটি খুলে বাইরে বেরিয়ে আসেন ঐ তরুনের বাবা। প্রাণপ্রিয় ছেলেকে দেখেই তাকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন তিনি।বলা হচ্ছিল দিন চারেক আগে নিখোঁজ হওয়া ইংরেজী মাধ্যমের স্কুল ছাত্র সাঈদ আনোয়ার খানের (১৮) কথা। ছেলে ফিরে আসার পরও পরিবারটি উদ্বেগমুক্ত হতে পারছে না। অজানা আতংকে তারা সাঈদের ফিরে আসার বিষয়ে কাউকে কিছু জানাতে আগ্রহী নন। সাঈদের বাবা আনোয়ার সাদাত খান বলেন, ছেলে ফিরে এসেছে এর চেয়ে বেশি কিছু তাদের চাওয়া নেই। তারা জানতে চান না ছেলে কীভাবে নিখোঁজ হয়েছে। গত দুই মাসে রাজধানী ঢাকা ও পাবনা থেকে মোট ১১ জন নিখোঁজ হন। এদের মধ্যে সাঈদ আনোয়ার খান ফিরে এলেও বাকি ১০ জনের এখনও হদিস নেই।
সম্প্রতি এসব নিখোঁজ ঘটনার ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় বলেন, মাদ্রাসাসহ সারাদেশে নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সব জঙ্গিদের খুঁজে বের করতে কাজ করে যাচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। মাদ্রাসার অনেক শিক্ষার্থী স্বেচ্ছায় পরিবার থেকে বিচিছন্ন রয়েছেন।
গত সোমবার বিকালে বনানীর সাঈদ আনোয়ার খান কলাবাগান এলাকায় যান। তিনি ক্যারাতে জানেন। কলাবাগানের লেকসার্কাস এলাকায় ক্যারাতের একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন তিনি। সেখান থেকে রাত ১০টার দিকে তিনি বাইসাইকেল নিয়ে বনানীর বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সাঈদের বাবা আনোয়ার সাদাত খান বাদী হয়ে বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। শুক্রবার রাতে সাঈদ ফিরে আসার পর তাদের পরিবার কখনই মনে করেন না যে তাদের সন্তান কোন জঙ্গি কার্যক্রমের জড়িত থাকতে পারে।
. . . . . . . . .





