আল্লামা শফীর সঙ্গে মাওলানা মাসঊদের বৈঠক
সিলেটের কন্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ১০ ডিসেম্বর ২০১৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণকওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি নিয়ে দেশের কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডসমূহের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) সভাপতি ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদসহ কওমিপন্থী আলেমরা অংশ নেন।
শনিবার সকালে দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসা মহাপরিচালকের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ২২ সদস্যবিশিষ্ট কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদীস সনদের মান বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়।
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) সভাপতি ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদসহ কওমিপন্থী আলেমরা অংশ নেন।শনিবার সকালে দারুল উলূম হাটহাজারী মাদ্রাসা মহাপরিচালকের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ২২ সদস্যবিশিষ্ট কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদীস সনদের মান বাস্তবায়ন কমিটি গঠন করা হয়।
এছাড়া সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্যে পাঁচ সদস্যের একটি ‘লিয়াজোঁ কমিটি’ গঠন করা হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, সভায় বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ, ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ, আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তা’লীম বাংলাদেশ, তানজিমুল মাদারিস আদ-দ্বীনিয়া বাংলাদেশ, গওহর ডাঙ্গা বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া বাংলাদেশ এবং জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদীস সনদের মান বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতির দায়িত্বে থাকবেন আল্লামা শাহ আহমদ শফী। এ কমিটিতে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ থেকে সাতজন, ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ থেকে তিনজন, আযাদ দ্বীনি এদারায়ে তা’লীম বাংলাদেশ থেকে তিনজন, তানজিমুল মাদারিস আদ-দ্বীনিয়া বাংলাদেশ থেকে তিনজন, গওহর ডাঙ্গা বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া বাংলাদেশ থেকে তিনজন এবং জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড থেকে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদসহ তিনজন থাকবেন।
সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্যে পাঁচ সদস্যের ‘লিয়াজোঁ কমিটি’ গঠন করা হয়। এ কমিটিতে আছেন মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, মাওলানা মুফতি রূহুল আমীন, মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, মাওলানা মাহফুজুল হক ও মুফতি নূরুল আমীন।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেন, কওমি মাদ্রাসার দেওবন্দী নীতি-আদর্শ ও নিজস্ব বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে সরকার কওমি সনদকে মান দিতে চাইলে কোনো কমিশন, নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে মান দিতে পারে।
তবে সনদ স্বীকৃতির নামে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কোনো ধরনের সরকারি নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা মেনে নেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
তবে সনদ স্বীকৃতির নামে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কোনো ধরনের সরকারি নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা মেনে নেয়া হবে না বলে তিনি জানান।
বৈঠক শেষে মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, ‘আমি ইতিপূর্বে বার বার বলেছি- আমরা আল্লামা শাহ আহমদ শফীর নির্দেশনা মেনেই চলতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আল্লামা শাহ আহমদ শফী যে চিঠি দিয়েছেন, যে নিয়মের মধ্য দিয়ে সনদের মান নেয়ার কথা বলেছেন তার সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত।’
. . . . . . . . .





