ভাঙনর শব্দ শুনি
ইয়াহিয়া নয়ন
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ নভেম্বর ২০২৩, ৩:২৯ অপরাহ্ণবাংলাদশর রাজনীতির ইতিহাস নতুন নতুন অনক চমক অপক্ষা করছ। দিন পনরার মধ্যই অনক নাটকর শষদশ্য দখত পাবা আমরা। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনক কদ্র কর শুরু হয়ছ নানা ঘটনার। পর্দার আড়াল থাকা কুশিলবরা বরিয় আসছন দশ্যপট। বিএনপি যখন নির্বাচন যাবনা তাদর একদফার বাস্তবায়ন নাহল, ঠিক তখনই শানা যাছ দল ভাঙনর শব্দ। তফসিল ঘাষণার দিনই বিএনপির বর্তমান ও সাবক ১২৫ নতার নতত্ব গঠিত ‘স্বত¿ গণত¿ মঞ্চ’ আসন ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণর ঘাষণা দিয়ছ। তফসিল ঘাষণার দিন বিকল রাজধানীর মালিবাগ এলাকার ¯াই সিটি হাটল লাউঞ্জ এক সংবাদ সম্মলন থক এ ঘাষণা দিয়ছন বিএনপির কদ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কার্টর আইনজীবী খদকার আহসান হাবিব। এর আগ তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করন। তিনি টাঙ্গাইল-৫ আসন থক প্রতিদ্বদ্বিতা করার ঘাষণা দন।
এ সময় উপস্থিত ছিলন বিএনপির নির্বাহী কমিটির আরক সদস্য ব্যারিস্টার এ ক এম ফখরুল ইসলাম, তিনি ঝালকাঠি-২ আসন থক প্রতিদ্বদ্বিতা করবন। হিদু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টর ২০০১-০৪ ময়াদর সাবক ট্রাস্টি স্বপন সরকার, তিনি রাজবাড়ী-১ আসন থক প্রতিদ্বদ্বিতা করবন। ছাত্রদলর কদ্রীয় সাবক সহ-সভাপতি টাঙ্গাইল সাদত কলজর সাবক ভিপি মনিরুল ইসলাম মিটু, তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসন থক প্রতিদ্বদ্বিতা করবন বল জানান। লিখিত বক্তব্য খালদা জিয়ার মুক্তি দাবি জানালও পরবর্তীত গণমাধ্যমকর্মীদর প্রশর জবাব খদকার আহসান হাবিব বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরর মুক্তির দাবি জানান।
এ ছাড়া বিএনপির অন্যতম নতা হয়ও নির্বাচন অংশগ্রহণ করার ঘাষণা সংগঠনটির শখলা ভঙ্গর কানা বিষয় আছ কি না- এমন প্রশর জবাব তিনি বলন, বিএনপির গঠনত¿ এমন কানা দিকনির্দশনা আছ বল আমার জানা নই। নির্বাচন অংশগ্রহণ করলও কানা নিবন্ধিত দল বা জাটর সঙ্গ তারা অংশীদার হবন না বলও জানিয়ছ ‘স্বত¿ গণত¿ মঞ্চ’।
বিএনপির আরক নতা মজর হাফিজক নিয় চলছ আরক ঘটনা। একটা দল ভাঙনর আলামত দখা দিল মূল দল বল, দলছুটদর কারণ মূল দলর তমন কানা ক্ষতি হব না। যদি বিরাধী দল হয় তাহল তারা আরও একটি কথা যাগ কর-সরকারর প্ররাচনায় দল ভাঙা হছ। দলছুট আগ্রহীরা সরকারর দালাল এমন কথা বলতও কসুর কর না মূল দলর পক্ষ থক। আর দলছুট নতারা প্রথম অব¯ায় ধরি মাছ না ছুঁই পানির অব¯ান থাকন। এই মুহূর্তও তাই দখা যাছ। একটা সময় যখন নতুন নাম তারা আবির্ভূত হন, তখন সরাসরিই পূর্বদলর গাষ্ঠী উদ্ধার করন- কখনা পরাক্ষ কখনা সরাসরি। এবার বীর মুক্তিযাদ্ধা মজর হাফিজ উদ্দীন বীর বিক্রম, মিডিয়ায় মুখ খুলছন। এখন তার অব¯ান পরাক্ষ। তার নড়চড় বসার বিষয়টি কি ভাবার মতাও। তিনি বিএনপি ছাড়ননি। বিএনপিও তাক ছাড়নি। এমনকি তিনি দলর ভাইস চয়ারম্যানর মতা গুরুত্বপূর্ণ পদ আসীন আছন, তাও কউ অস্বীকার করছ না। কি এটা স্পষ্ট, মজর হাফিজক দলীয় কানা কর্মসূচি এমনকি সিদ্ধাÍ গ্রহণও অংশগ্রহণ করত দখা যাছ না। মজর হাফিজ এর সা¤প্রতিক সাংবাদিক সম্মলন এবং গণমাধ্যম নানামুখী বিশ্লষণ দখ মন হত পার, নতুন কিছু দখার সম্ভাবনা দঢ় হছ। সাংবাদিক সম্মলন প্রশ করা হয়ছিলা তিনি প্রধানম¿ীর সঙ্গ সাক্ষাৎ করছন কি না? তিনি নতুন কানা দল করছন কি না। তিনি এর জবাব বলছন ‘না কমট’। রাজনীতিত এই ‘না কমট’ শব্দদ্বয় য অধিকাংশক্ষত্রই ইতিবাচক কমট হয় থাক তা সবার জানা। অর্থাৎ মজর হাফিজর নতত্ব নতুন দল হওয়ার বিষয়টি আলাচনায় আসাটা ভিত্তিহীন বল উড়িয় দওয়া যায় না।
আপনি নতুন দল করছন, নির্বাচন অংশ নবন বল সরকারর ম¿ীরা দাবি করছন, এ ব্যাপার আপনার প্রতিক্রিয়া কী? জবাব মজর হাফিজ বলন,‘এই বিষয় আমি আর কিছু বলত চাই না। রাজনতিক পরি¯িতি আমি দখছি এই টুকুই আপনি লিখুন। এর বশি কিছু এখন বলব না।’ তাঁর এমন বক্তব্যও ইঙ্গিতবহ বল মন করছ রাজনতিক বিশ্লষকরা।
মজর হাফিজ বিএনপির নতত্ব নিয় য উষ্মা প্রকাশ করছন সই বিষয়টিও গণমাধ্যম ব্যাপক প্রচার পয়ছ। পরি¯িতি পরিবশ বিশ্লষণ কর এটা মন করা যায়, আরকটি বিএনপি হয়তা শিগগিরই আত্মপ্রকাশ করত যাছ। যহতু মজর হাফিজক এখনও দল থক বহি®ার করা হয়নি, তাই তিনি যদি তড়িঘড়ি কর সাধারণ সভা ডক নতুন বিএনপির জন্ম দন তাহলও অবাক হওয়ার কিছু থাকব না। সক্ষত্র বিএনপি নাম তিনি নির্বাচন অংশ নিলও আইনগতভাব তা গ্রহণযাগ্য হব বল মন করছন বিশ্লষকরা । সক্ষত্র তিনি হয় তা প্রথম সাধারণসভাতই তারক জিয়াসহ অন্যদর দল থক বহি®ার করার মধ্য দিয় যাত্রা করত পারন। এমন পরি¯িতি হল নতুন দল বিএনপির প্রথম সারির অনক নতাকই পাওয়া যাব। বিশষ কর যারা দল এখন নি®য় হয় আছন, যাদর দল থক মূল্যায়ন করা হয় না,যারা তারক রহমানর নতত্বক অপছদ করও দল টিক আছন, বিভিন সময় দল থক বহি®ার হয়ছন তারাও য ওই দল যাগ দিত পারন তা অনুমান করা যায়।
দলত্যাগীদর কারণ একটা দলর সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল হয় যায় । কত ত্যাগী নতাক বিএনপি ছাড়ত হয়ছ সই হিসাবটা অবশ্যই রাজনতিক বিশ্লষকদর কাছ আছ। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তণমূল বিএনপি প্রতিষ্ঠা কর বিএনপির ছায়া রখ দিয়ছন। তার দলছুটর কারণ একসময়র বিএনপির ভাইস চয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযাদ্ধা শমসর মাবিন চধুরী ও চয়ারপারসনর উপদষ্টা অ্যাডভাকট তমুর আলম খদকারর দলীয় সবা থক বঞ্চিত হয়ছ বিএনপি। সই তণমূল বিএনপি ৩০০ আসন প্রার্থী দিয় নির্বাচন আসছ। সই তিনশ জনর মধ্য বর্তমানর মূলধারার বিএনপির যদি ৫০ জন থাকন তাত অবাক হওয়ার কিছু থাকবনা।
ভাঙনর শব্দ শুনি, একটি নাটকর নাম। রাজনীতির নাটকর শষদশ্য দখত আমাদর আরা কটাদিন অপক্ষা করত হব।
বর্তমান সরকারর বিরুদ্ধ নানা রকমর অভিযাগ থাকা সত্ত¡ও সংসদ নির্বাচন করার ব্যাপার নির্বাচন কমিশন এবং সরকারর সাংবিধানিক দায়িত্ব উপক্ষা করার কানা উপায় নই। বর্তমান সংবিধানর কাঠামার মধ্য ১২তম সংসদীয় নির্বাচন হতই হব। নির্বাচন বর্জন একটি দলর অধিকার হত পার না, তব নির্বাচন প্রতিহত করার জন্য আদালনর ডাক দওয়া অনতিক এবং স¿াসবাদক উৎসাহিত করার শামিল।
লেখক : সাংবাদিক।
রাজনীতি/হান্নান






