সিলেটে ধর্ষণ মামলার ৭ মাসেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষক, পুলিশ কমিশনার বরাবর অভিযোগ
সিকডে
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ জুলাই ২০২৩, ১০:৩৫ অপরাহ্ণসিলেটের এয়ারপোর্ট থানার কামারটিলা এলাকায় সুফিয়া (১৭) ধর্ষণ মামলার আসামী সাইদ মিয়া ঘটনার ৭ মাসে ও প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন । দায়েরকৃত ধর্ষণ মামলার ৭ মাস পার হলেও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এমন অভিযোগ এনে ( ৯ মে) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন মামলার বাদী (সুফিয়া বেগম’র -মা) রাজিয়া বেগম।
আসামী সাইদ মিয়া শহরের এয়ারপোর্ট থানার কামারটিলা এলাকার মৃত আব্দুল্লাহর ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আসামী সাইদ মিয়া একজন লম্পট সন্ত্রাসী ও দুশ্চরিত্র মানুষ। ২০২১ সালের ১৫ জানুয়ারি বিকাল ৪:৩০ ঘটিকার সময়ে আসামী সাঈদ মিয়া সুফিয়া বেগম (১৭) কে বসতঘরে একা পেয়ে জুরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে আসামী পক্ষের লোকজন বিষয়টি ধাপা চাপা দেওয়ার চেষ্টায় আপোষে সমাধান করার পায়তারা করে। বিষয়টি গোপন রাখার জন্য বাদী পক্ষকে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে। সাইদ মিয়া স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় ধর্ষণের বিষয়টি আপোষ না করে সুফিয়া বেগম ও তার মা (মামলার বাদী) কে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিতে থাকে। এক পর্যায়ে ২০২১সালের ২৮ নভেম্বর ধর্ষণের স্বীকার সুফিয়া বেগম(১৭) গর্ভে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে। এতে আসামী ও তার লোকজন সুফিয়া বেগম ও তার আত্মীয় স্বজনকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন শীগ্রই তারা সুফিয়া বেগম ও সাইদ মিয়ার মধ্যে বিবাহ দিয়ে তাদের সংসারে নিবেন। জন্ম নেওয়া শিশুকে পিতা স্বীকৃতি দিবেন। এমতাবস্থায় মামলার বাদী রাজিয়া বেগম তার মেয়ে ও নাতির কথা চিন্তা করে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা কর। পরবর্তীতে স্থানীয় মুরুব্বিয়ানগণ বিষয়টি পূনরায় আপোষ সমাধান করতে চাইলে মুরুব্বীদের ডাকে উক্ত দুর্ধষ হিংস্র আসামী ধর্ষক সাইদ ও তার পরিবার কারো ডাকে না সাড়া দেননি। পুনরায় আবার ও মামলার বাদী ও তার মেয়েকে নানা ভাবে হুমকি দিতে থাকে। এতে বাধ্য হইয়া সিলেট এয়ারপোর্ট থানায় সূত্রে বর্ণিত মামলা দায়ের করেন তিনি।
এদিকে,মামলা দায়ের’র ৭ মাস পরে অদৃশ্য কারণে আসামী নিজের ক্ষমতাবলে পুলিশের নাকেরডগায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। দায়সারা ভাবে এমন ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পরে পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার না করায় এলাকাঝুড়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়।
মামলার বাদী রাজিয়া বেগম (সুফিয়া’র) মা জানান,অভিযুক্ত ধর্ষকের ক্ষমতার অপব্যবহারের কারনে মেয়ে ও নাতিকে নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে মানবেতর দিনাতিপাত নিরীহ এই পরিবার। অভিযুক্ত ধর্ষককে আইনের আওতায় এনে ন্যায় বিচার করতে জোর দাবি জানিয়েছেন ধর্ষণের স্বীকার সুফিয়ার পরিবার ।
মামলার তদন্ত্রকারী কর্মকর্তা প্রণব রায় বলেন,মামলা হওয়ার পর থেকে আসামী পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা যায়নি। মামলা তদন্ত শেষ করে কোর্টে চার্জশীট দিয়ে দিছি। এখন কোর্টের কাজ।
সিকডে/হা






