দোয়ারাবাজারে ফের বাড়ছে নদ-নদীর পানি, নিম্নাঞ্চলে বন্যা আতঙ্ক
সোহেল মিয়া,দোয়ারাবাজার(সুনামগঞ্জ)
প্রকাশিত হয়েছে : ১৪ জুলাই ২০২৩, ১০:১৮ পূর্বাহ্ণউজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় সুরমা,খাসিয়ামারা,চিলাইসহ সকল নদ-নদীর পানি ফের বাড়ছে। ইতোমধ্যে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে গেছে দোয়ারবাজার উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের টিলাগাঁও,শরিফপুর,মিরপুর,কাউয়ারগর,লক্ষিপুর ইউনিয়নের ভাঙ্গাপাড়া,বক্তারপুর,চকিরঘাট,দোয়ারা সদর ইউনিয়নের পর্মশরিফপুর,মাজেরগাঁও,রাখালকান্দি গ্রামসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম।
বৃহস্পতিবার(১৩ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে উপজেলার ওইসব এলাকায় ঘুরে এই দৃশ্য দেখা যায়।
এছাড়াও সীমান্তবর্তী এই উপজেলার অধিকাংশ গ্রামীন সড়কে পানি ওঠায় উপজেলা সদরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভারতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় সীমান্তবর্তী সকল নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি ছাতক পয়েন্ট দিয়ে বিপৎসীমার ৭৮সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
লক্ষিপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ওমর ফারুক জানান,ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লক্ষিপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের অধিকাংশ বসতঘর পানিতে তলিয়ে গেছে৷ প্রতিদিন দুপুরে এভাবে পানি বাড়ে ও বিকালের দিকে পানি নেমে যাচ্ছে। তবে কমবেশি ক্ষতিগ্রস্থ ও হচ্ছে এলাকার মানুষজন।
এতে করে আতঙ্কে দিনপার করছে ওইসব এলাকার বাসিন্দারা।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান,ভারতে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় উজান থেকে নেমে আসা পানিতে পাহাড়িয়া নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এরকম চলতে থাকলে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে। তবে বৃষ্টিপাত না হলে, দ্রুতই পানি কমে যাবে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফ মূর্শেদ মিশু জানান, পাহাড়ি ঢলে উপজেলার সুরমা ও লক্ষিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি বাঁধ ভেঙে পানি ডুকেছে।
উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় প্রতিদিন দুপুর ১ থেকে ২ টার দিকে উপজেলার নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পায়। সন্ধার দিকে আবার পানি নেমে যায়।দুর্যোগপূর্ণ কোনো পরিস্থিতি এলে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
সারাদেশসংবাদ/হান্নান






