বিশ্বনাথ এডুকেশন ট্রাস্টের কার্যক্রম নিয়ে ট্রাষ্টিদের মধ্যে বিরাজ করছে ক্ষোভ ও হতাশা
সিলেটের কন্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ২১ মে ২০২০, ১:৪৬ পূর্বাহ্ণবিশ্বনাথ প্রতিনিধি: বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাস্টের বিতর্কিত কার্যক্রম নিয়ে সদস্যদের মধ্যে বিরাজ করছে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা । সাম্প্রতিক কিছু কর্মকান্ড নিয়ে ট্রাস্টের সদস্যদের পাশাপাশি গোটা বিশ্বনাথে বিভ্রান্তি ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। প্রবাসী বাংলাদেশী বিশেষ করে বিশ্বনাথ এলাকার একটি সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠনকে নিয়ে একটি পক্ষের ছয়-নয় সচেতন উপজেলাবাসী মেনে নিতে পারছেন না। ফলে এ নিয়ে ট্রাষ্টিদের মধ্যে ক্ষোভও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে । দীর্ঘদিনে সঞ্চিত অর্থ এলাকার কল্যাণে নাকি ব্যক্তি বিশেষের কল্যাণে ব্যয় হবে, এ নিয়ে তাদের মনে চিন্তার শেষ নেই।
জানা যায় বিশ্বনাথ এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউকের কার্যক্রম সম্পর্কে সম্প্রতি দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের বিচারপতি মোহাম্মদ এনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বেঞ্চ একটি রুল জারি করেছেন। রুলে হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০১৫ সালে ৭ জনের নামে সম্পাদিত ট্রাষ্টের দলিলের মাধ্যমে বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাষ্টের কার্যক্রম কেন বেআইনী হবে না এমর্মে কারণ দর্শানোর জন্যে বিবাদীদের প্রতি নোটিশ জারি করেছেন। ২০১৫ সালে নিয়ম বর্হিভূত ও ভুল গঠনতন্ত্র দিয়ে মনগড়াভাবে সাতজন ট্রাষ্টি বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউকে’র নামে একটি দলিল সম্পাদন করে বেআইনী ভাবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। উল্লেখ্য ১৯৯৪ সালে যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠিত বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাষ্টের গঠনতন্ত্রে ট্রাষ্টের মূলধনের লভ্যাংশ থেকে প্রতি বছর ছাত্র -ছাত্রীদের মধ্যে বৃত্তি বিতরনের বিধান রয়েছে। কিন্তু মির্জা আসহাব বেগ সভাপতি, মোঃ নজরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক ও মিসবাহ উদ্দিন ট্রেজারার থাকাকালীন সময়ে সংগঠনের সংবিধান ও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ৭ জনের নামে ট্রাস্টের একটি দলিল সম্পদন করেন। শুধু তাই নয় সদস্যদের অনুমোদন ব্যাতিত সংবিধান বহির্ভূতভাবে মূলধন থেকে প্রায় দশ লক্ষ টাকা উত্তোলন করেন এবং বার্ষিক সাধারণ সভায় হিসেবে মিলিয়ে দিতে ব্যর্থ হয়ে তৎকালীন সভাপতির স্বীকারোক্তিতে এই টাকা ঘুষ প্রদানে খরচ করা হয়েছে বলে জানানো হয় । সংবিধান লঙ্গন করে ট্রাস্টের মূলধন থেকে টাকা উত্তোলন এবং সম্পূর্ণ মনগড়াভাবে ৭ জনের নামে ভুল সংবিধান দিয়ে ব্যক্তিগত দলিল রেজিস্ট্রির প্রেক্ষিতে ট্রাস্টের কার্যক্রমে অচলাবস্থা এবং ট্রাস্টের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়ায় সংগঠনের সদস্যসহ উপজেলাবাসীর মনে তীব্র ক্ষোভ ও বিভিন্ন প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে । . . . . . . . . .




